জার্সি থেকে লাল কার্ড—বিদায়ী রাতে মেসির যত উপহার

· Prothom Alo

পুরো আর্জেন্টিনা লিওনেল মেসিকে দিয়েছে এক আবেগঘন বিদায়। মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে শুরু করে সতীর্থ, প্রতিপক্ষ, ক্লাব ও ফুটবল সংস্থা—সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছে। বিদায়ী বক্তব্যে মেসি বলেছেন, তিনি সারা দেশজুড়ে মানুষের অবিশ্বাস্য ভালোবাসা পেয়েছেন এবং সেই ভালোবাসার জন্য চিরকৃতজ্ঞ।

তবে বিদায়ের দিনে মেসি শুধু ভালোবাসা আর সম্মানই পাননি, পেয়েছেন কিছু বস্তুগত উপহারও। তার মধ্যে রয়েছে বিশেষ জার্সি, স্মারক মূর্তি, চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, ট্রফির রেপ্লিকা, বইয়ের সংগ্রহ—এমনকি ম্যাচের লাল-হলুদ কার্ডও।

Visit moryak.biz for more information.

ম্যাচ শুরুর আগে রিভার প্লেট মেসিকে তাদের সম্মানসূচক সদস্য ঘোষণা করে। ক্লাব তাঁকে সদস্য কার্ড, স্মারক ফলক এবং ১২৫ বছরের বিশেষ জার্সি উপহার দেয়। জার্সিতে মেসির নাম ও ১০ নম্বর ছাপানো ছিল।

পুরো আর্জেন্টিনাই লিওনেল মেসিকে দিয়েছে এক আবেগঘন বিদায়

কনমেবল প্রেসিডেন্ট আলেহান্দ্রো ডমিঙ্গেজ মেসিকে দেন ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সম্মাননা-ফলক এবং কনমেবলের অফিশিয়াল মূর্তি। পরে তিনি দেন যুক্তরাষ্ট্রের এনবিএ-ধাঁচের একটি চ্যাম্পিয়নশিপ রিং, ‘লেজেন্ড ব্রেসলেট’ এবং কোপা আমেরিকার একটি রেপ্লিকা।

এ ছাড়া ২০২৪ কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্যবহৃত একটি বলও মেসিকে দেওয়া হয়, যেটিতে আর্জেন্টিনার সতীর্থদের স্বাক্ষর ছিল। আন্তোনেল্লার জন্য ছিল মেসির ক্যারিয়ারের ইতিহাস, ছবি ও পরিসংখ্যানসংবলিত বড় বইয়ের একটি সংগ্রহ।

মেসির ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হিসেবে আজীবনের জন্য জড়িয়ে গেছে বেনিনের নাম। আফ্রিকার দলটিও আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ীর জন্য উপহার নিয়ে এসেছিল। অধিনায়ক সেসি ডি’আলমেইদা তাঁকে দেন দাহোমি অ্যামাজনসের ছোট মূর্তি, বেনিন দলের একটি জ্যাকেট, একটি গোলাপ, দলের ব্যানার এবং পুরো দলের হাতে লেখা চিঠি।

মূর্তিটি বেনিনের ইতিহাসের নারী যোদ্ধা বাহিনী দাহোমি অ্যামাজনদের স্মরণে তৈরি। ডি’আলমেইদা জানান, এটি মূলত মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লার জন্য, কারণ বেনিনে এটি নারীর ক্ষমতার প্রতীক।

বিদায়ী রাতের চমকপ্রদ উপহারটি এসেছে রেফারির কাছ থেকে। ম্যাচ শেষে চিলির রেফারি ফার্নান্দো ভেহার মেসিকে ম্যাচে ব্যবহৃত হলুদ ও লাল কার্ড দেন। তুলে দেন ম্যাচে ব্যবহার হওয়া বলও।

অবসরের পর মেসির সময় কাটবে কীভাবে

কার্ডের বিষয়টি একদিক থেকে মজারই। আর্জেন্টিনার হয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে লাল কার্ড দেখেছিলেন মেসি। ২০০৫ সালে হাঙ্গেরির বিপক্ষে সেই অভিষেকে মাত্র কয়েক সেকেন্ড মাঠে থাকার পরই তাঁকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। এবার জাতীয় দলের বিদায়ী ম্যাচে রেফারি তাঁকে লাল ও হলুদ—দুটি কার্ডই দিয়েছেন স্মারক হিসেবে।

পরে অবশ্য মেসিও সেই কার্ড উপহার দিয়ে দিয়েছেন। ম্যাচের পর মেসিকে ধন্যবাদ জানানোর অংশ হিসেবে মাঠে সংগীত পরিবেশন করেন আর্জেন্টাইন গায়িকা সোলেদাদ পাস্তোরুত্তি। মেসি হাতের কাছে থাকা লাল ও হলুদ কার্ড দুটি পাস্তোরুত্তিকে দিয়ে দেন।

মেসির বিদায়ের দিন ফার্নান্দেজের চোখে ফিরে এল সেই ১৫ বছরের কিশোর

Read full story at source