৫৯ বছর বয়সে গোল করে আলোচনায় ‘কিং কাজু’
· Prothom Alo

প্রতিবছর একবার করে খবরে আসেন তিনি। এক বছর করে তাঁর বয়স বাড়ে এবং তিনিই থেকে যান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার। সেই ধারাবাহিকতায় আবারও সংবাদের শিরোনাম হলেন জাপানের আলোচিত ফুটবলার কাজুইউশি মিউরা। তবে এবার শুধু বয়সের কারণে নয়, মিউরা আলোচনায় এসেছেন গোল করে।
Visit turconews.click for more information.
জাপানের এই ফুটবল কিংবদন্তি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোলের দেখা পেয়েছেন প্রায় চার বছর পর। ৫৯ বছর বয়সে শনিবার এম্পেরর কাপের ম্যাচে তাঁর গোলে ফুকুশিমা ইউনাইটেড ৭-০ ব্যবধানে ইওয়াকি ফুরুকাওয়াকে হারিয়ে পরের পর্বে উঠেছে।
‘কিং কাজু’ নামে পরিচিত মিউরা ম্যাচের ৫২তম মিনিটে দলের পঞ্চম গোলটি করেন। সতীর্থের পেছনে বাড়ানো পাসে এক ছোঁয়ায় বল জালে পাঠান তিনি। গোল করার সময় তাঁর বয়স ছিল ৫৯ বছর ১৪৯ দিন। গোলের পর মাঠে ও ডাগআউটে সতীর্থরা তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। তবে গোল করার মাত্র তিন মিনিট পরই অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডকে তুলে নেওয়া হয়।
৫৮-তেও খেলার প্রস্তুতি, এখনই থামতে চান না বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার২০২২ সালের নভেম্বরের পর এই প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে গোল করলেন মিউরা। সবশেষ তিনি জাপান ফুটবল লিগে সুজুকা পিজির (বর্তমান নাম আতলেতিকো সুজুকা) হয়ে এফসি ওসাকার বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে গোল করেছিলেন।
59 years, 4 months and 29 days old. At that age, the Japanese climate, running around and scoring a goal. Truly, just one word "Amazing"
— Just Joe (@lujoery) July 25, 2026
Ladies and Gentlemen - King Kazu scored today after about 4 years without a goal.#FukushimaUnited #kazuyoshiMiura pic.twitter.com/tRnYcbAR87
জাপানের সাবেক এই আন্তর্জাতিক ফুটবলার পেশাদার ক্যারিয়ারের ৪২তম মৌসুমের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা এককথায় অবিশ্বাস্য! তৃতীয় স্তরের ক্লাব ফুকুশিমা ইউনাইটেডে তাঁর ধারে খেলার চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
গত ডিসেম্বরে ইয়োকোহামা এফসি থেকে ফুকুশিমা ইউনাইটেডে যোগ দেন মিউরা। ২০২৬ মৌসুমে সংক্ষিপ্ত সূচিতে ছয়টি ম্যাচ খেলার পরও ক্লাবটি তাঁর সঙ্গে চুক্তি নবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
৫৬ বছর বয়সে ফুটবল খেলতে নেমে রেকর্ড গড়লেন এই জাপানি ফুটবলারজাপানের পেশাদার ফুটবল লিগ আগামী মৌসুম থেকে ‘বসন্ত থেকে শরৎ সূচি’র বদলে ‘শরৎ থেকে বসন্ত সূচি’তে ফিরছে। ফলে মিউরা ষাটের ঘরেও পেশাদার ফুটবল খেলে যাবেন। এর মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ ও অবিশ্বাস্য ক্যারিয়ারে যোগ হবে আরও একটি নতুন অধ্যায়।