ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো প্রতিযোগিতায় ৪২টি ছবি বিজয়ী হয়েছে, এখানে পড়ুন তিনটি ছবির গল্প

· Prothom Alo

৯ এপ্রিল ঘোষণা করা হয়েছে ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো কনটেস্ট ২০২৬ বিজয়ীদের নাম। ১৪১টি দেশের ৩ হাজার ৭৪৭ আলোকচিত্রীর তোলা ৫৭ হাজারের বেশি ছবি জমা পড়েছিল এবার। উত্তর ও মধ্য আমেরিকা; ইউরোপ; পশ্চিম, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া; আফ্রিকা; এশীয়–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও ওশেনিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকা—এই ছয় অঞ্চলের প্রতিটিতে ৭টি করে মোট ৪২টি ছবি বিজয়ী হয়েছে। আলোকচিত্রগুলোয় উঠে এসেছে ক্ষমতার পালাবদল, জলবায়ু সংকটের তীব্রতা, প্রতিরোধ, পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের গল্প। বিজয়ী ছবিগুলো থেকে ২০২৬ সালের ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো অব দ্য ইয়ার’ এবং দুজন ফাইনালিস্টের নাম ঘোষণা করা হবে ২৩ এপ্রিল। তার আগেই এখানে পড়ুন বিজয়ী তিনটি ছবির গল্প।

Visit lej.life for more information.

সামাজিক রোবট ‘এমা’

রোবট ‘এমা’র সঙ্গে কথা বলছেন প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দা ওয়ালট্রাউড

কর্মিসংকটের কারণে জার্মানির প্রবীণ নিবাসগুলোর বাসিন্দারা এখন নিঃসঙ্গতায় ভুগছেন। সেই বাস্তবতায় মিউনিখভিত্তিক একটি স্টার্টআপ তৈরি করেছে ‘এমা’। সামাজিক এই রোবট মানুষের মুখ চিনতে পারে, মনে রাখতে পারে আগের কথোপকথন। সেই ‘এমা’র সঙ্গে কথা বলছেন প্রবীণ নিবাসের বাসিন্দা ওয়ালট্রাউড। প্রথমে যন্ত্রের সঙ্গে কথা বলতে তাঁর খানিকটা অস্বস্তিই লেগেছিল। কিন্তু এখন আর ওয়ালট্রাউডের সেই অস্বস্তি নেই।

তিমির পিঠে মেরু ভালুক

স্পার্ম হোয়েলের মৃতদেহ খাচ্ছে মেরু ভালুক

মেরু ভালুক সাধারণত সিল শিকার করেই বেঁচে থাকে। কিন্তু গ্রীষ্মে বরফ গলে যাওয়ায় শিকার ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে তারা এখন মৃত প্রাণীর দেহ থেকেও খাদ্য সংগ্রহ করছে। নরওয়ের দ্বীপপুঞ্জ সালবার্দের উত্তরের মেরু বরফে ভাসমান এলাকায় একটি স্পার্ম হোয়েলের মৃতদেহ খাচ্ছে একটি স্ত্রী মেরু ভালুক। অন্যদিকে স্পার্ম হোয়েল সাধারণত বরফাচ্ছন্ন মেরু অঞ্চলে আসে না। তাই এই মৃতদেহের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত বিরল এক দৃশ্য।

বারুদকন্যা

মরক্কোর অশ্বারোহী ঘিতা ঝিয়াতে

মরক্কোর ঐতিহ্যবাহী খেলা তেবুরিদা ইউনেসকোর স্বীকৃতিও পেয়েছে। ষোড়শ শতাব্দী থেকে হয়ে আসা এই আয়োজনে দলবদ্ধ অশ্বারোহীরা সমানতালে ঘোড়া ছোটাতে ছোটাতে একসঙ্গে গুলি ছুড়ে উপস্থাপন করেন যুদ্ধকৌশল। এই খেলায় নারীদের অংশগ্রহণ ছিল নিষিদ্ধ। তবে ২০০৪ সালে মরক্কোর পারিবারিক আইন সংস্কারের পর ধীরে ধীরে এই ময়দানে প্রবেশের অধিকার চেয়ে লড়াই শুরু করেন নারীরা। ঘিতা ঝিয়াতেও ছোটবেলা থেকে বাবার মুখে শুনে এসেছেন—তেবুরিদা খেলা যাবে না। কিন্তু সব নিষেধ উপেক্ষা করে ২০২৫ সালে স্বপ্ন পূরণ করেন। দেশটির পথিকৃৎ নারী অশ্বারোহী জাহিয়া আবুলাইতের সঙ্গেও এই খেলায় অংশ নিয়েছেন। আজ নিজেই হয়ে উঠেছেন সেই লড়াইয়ের প্রতীক।

সপ্তাহের মাঝামাঝি আপনার মনের অবস্থা কিছুটা বদলাবে

Read full story at source