ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আমিনুল হকসহ বিএনপির দুই প্রার্থীর আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ
· Prothom Alo

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৪ ও ঢাকা–৬ আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপির দুজন প্রার্থীর করা পৃথক দুটি নির্বাচনী আবেদন শুনবেন হাইকোর্ট। এ আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন।
Visit iwanktv.club for more information.
আবেদনকারী দুই প্রার্থী হলেন ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক এবং ঢাকা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ। এর মধ্যে ঢাকা–১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী মো. আমিনুল হক ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট পান। আর ঢাকা–৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট পান।
এর আগে নির্বাচনসংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানির জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে একক বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি। ওই একক বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় দুটি নির্বাচনী আবেদন মোশন (নতুন মামলা) হিসেবে ছিল। আদালতে দুই প্রার্থীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস।
আদেশের পর আবেদনকারীদের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির দুই প্রার্থীর করা আবেদন দুটি হাইকোর্ট শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন। প্রতিপক্ষের প্রতি নোটিশ জারি করেছেন। প্রতিপক্ষের প্রতি জারি করা নোটিশ ফেরতের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালত এই দুটি নির্বাচনী এলাকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যালট পেপার, মুড়ি, বক্সসহ নির্বাচনী প্রতিটি সরঞ্জাম সংরক্ষণে রাখতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
বিজয়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভয়–ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা ফলাফলে এজেন্টদের স্বাক্ষর গ্রহণ না করা, অনেক ক্ষেত্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ নির্বাচনী আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেও আবেদনগুলোর মধ্যে অভিযোগ আছে। তাঁরাও বিজয়ী ঘোষিত প্রার্থীদের সহযোগিতা করেছেন।
নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে তিনি হাইকোর্টে নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত ১৫ প্রার্থীর পৃথক ১৫টি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ।