মাগুরায় মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে দুজনের মৃত্যু
· Prothom Alo

মাগুরায় মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ও আজ শুক্রবার সকালে তাঁদের মৃত্যু হয়।
Visit sportbet.rodeo for more information.
মারা যাওয়া দুজন হলেন মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মোকর্দমখোলা গ্রামের আলমগীর লস্কর (৪০) ও গয়েশপুর ইউনিয়নের মালদা গ্রামের বিধান বিশ্বাস (২২)।
দুজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বুধবার দুর্গাপূজায় বিজয়া দশমীর রাতে ওই দুজন ভিন্ন জায়গায় বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করেন। পরে অসুস্থ বোধ করলে আলমগীরকে তাঁর বন্ধুরা বাড়িতে পৌঁছে দেন। গতকাল রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আজ সকাল সাতটার দিকে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মদ্যপানের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিধান বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাঁকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
—মামুনুর রশিদ, আরএমও, মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালহাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে একজন মারা গেছেন। তাঁর অ্যালকোহল বিষক্রিয়া হয়েছিল। আর সকালে যিনি মারা গেছেন, তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আমরা এখনো নিশ্চিত নই। দুটি বিষয়ই আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।বিধানের কাকি সুপ্রিয়া সাহা বলেন, দশমীর রাতে অতিরিক্ত মদ্যপান করার পর বিধান অসুস্থ হয়ে পড়েন। বাড়িতে এসে প্রথমে কাউকে কিছু জানাননি। পরে শরীরে অতিরিক্ত যন্ত্রণা শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান বিধান। গতকাল রাতে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।
মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মামুনুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে একজন মারা গেছেন। তাঁর অ্যালকোহল বিষক্রিয়া হয়েছিল। আর সকালে যিনি মারা গেছেন, তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আমরা এখনো নিশ্চিত নই। দুটি বিষয়ই আমরা পুলিশকে জানিয়েছি।’
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া আজ প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের পরিচয় ও অন্যান্য বিষয় তদন্তে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।