ইরান কি হরমুজ প্রণালিতে গোপনে টোল আদায় করছে

· Prothom Alo

গত মাসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়লেও বিশ্ববাজারে দাম এখনো বেশি। কোনো গোপন ফি বা মাশুলই কি এর কারণ হতে পারে? ইরান যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।

ইরান হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ ও নৌযানে হামলা চালানোর বিষয়ে এখনো সচেষ্ট। এরপরও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্চেন্ট ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান ‘কেপলার’-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগের রপ্তানির পরিমাণকেও ছাড়িয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রপ্তানি।

Visit newsbetsport.bond for more information.

গত মাসের শেষ সপ্তাহে চার দিন এ অঞ্চল থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানির পরিমাণ ছিল সাড়ে ১৯ মিলিয়ন থেকে সাড়ে ২২ মিলিয়ন ব্যারেলের মধ্যে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে দৈনিক তেল রপ্তানির গড় ছিল প্রায় ১৮ মিলিয়ন ব্যারেল।

আঞ্চলিক তেল রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য এ পর্যন্ত মূলত হরমুজ প্রণালি দিয়ে মার্কিন জাহাজের পাহারায় ট্যাংকারগুলোকে নিরাপদে বের করে দেওয়াকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি এক জাহাজ থেকে আরেক জাহাজে তেল স্থানান্তরের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়াও একটি কারণ বলে উল্লেখ করা হয়।  যা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঝুঁকি কমায়। অন্যদিকে তেলের দাম এখনো বেশি থাকার কারণকে বিশ্লেষকেরা দুইভাবে ব্যাখ্যা করছেন। এক. ইরানের হামলার ভীতির কারণে বিমা মাশুল এখনো চড়া থাকা এবং দুই. বাজার আবারও সরাসরি বা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা মাথায় রেখে হিসাব কষা।

তবে গত সপ্তাহে কেপলারের এক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক উচ্চ মূল্যে তেল রপ্তানি বৃদ্ধির একটি ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের তেল নির্বিঘ্নে পার হতে দেওয়ার বিনিময়ে হয়তো ইরানকে অর্থ দিচ্ছে। ফলে সম্ভাব্যভাবে পণ্যবাহী জাহাজের মূল্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই তেহরানের হাতে চলে যাচ্ছে।

যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো।

কেপলারের বিশ্লেষকের এই ব্যাখ্যা কি যৌক্তিক? এ কারণেই কি বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে না?

কেপলারের নীতি ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বিষয়ের প্রধান মিশেল ব্রোহার্ড সম্প্রতি বলেছেন, কিছু দেশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য হয়তো ইরানকে অর্থ দিচ্ছে।

জ্বালানিবিষয়ক বিশ্লেষক ররি জনস্টনের সঙ্গে গত সপ্তাহে এক সাক্ষাৎকারে ব্রোহার্ড বলেন, ‘আমার ধারণা, এখানে একটি টোল বা মাশুল প্রদান করা হচ্ছে, যা এই জাহাজগুলোকে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ করে দিচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি এটাও ধারণা করছি, এই দেশগুলো জানে যে যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে জাহাজ পাহারা দেওয়ার এই ব্যবস্থাটি টেকসই নয় একইভাবে তাদের পণ্যসামগ্রীর ১০ শতাংশ বা ২০ শতাংশ মূল্য ইরানকে দেওয়াটাও দীর্ঘমেয়াদে সম্ভব নয়। তাই যুদ্ধ আবার পুরোদমে শুরু হওয়ার আগেই যতটা সম্ভব এবং যত দ্রুত সম্ভব তেল বের করে নেওয়ার জন্য একধরনের প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে।’

ইরানের এবারের হামলায় সামনে এল ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন শঙ্কা

যদিও ব্রোহার্ডের এই দাবির সত্যতা স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যায়নি এবং ব্রোহার্ড এটিকে প্রমাণভিত্তিক কোনো অনুসন্ধানের চেয়ে কেবল একটি অনুমান বা জল্পনা হিসেবেই উপস্থাপন করেছেন।

তবে গত মার্চ মাসেই শিপিং–সংক্রান্ত সাময়িকী ‘লয়েডস লিস্ট’ রিপোর্ট করেছিল, প্রণালি দিয়ে নৌযানের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ইতিমধ্যেই একটি ‘টোল বুথ’ ব্যবস্থা চালু করেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধ চলাকালে বারবার বলছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো সম্ভাব্য চুক্তির অধীনে ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে কোনো প্রকার টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না।

হরমুজ প্রণালিত দিয়ে তেল রপ্তানি বেড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে

হরমুজে জাহাজ চলাচল বেড়েছে

মেরিন ট্র্যাকাররা জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ক্রমেই বেশি পরিমাণে তেল বাইরে বেরিয়ে আসছে।

সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে, সাত দিনের গড় হিসাব ফেব্রুয়ারি মাসে ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে রেকর্ড করা প্রায় ১৮ মিলিয়ন ব্যারেলে (দৈনিক) উন্নীত হয়েছে, যা সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই প্রথম।

কেপলারের মতে, এখন ৪০ শতাংশ তেল হরমুজ প্রণালিকে পাশ কাটিয়ে চলে যায় এবং প্রণালি অতিক্রমকারী অধিকাংশ অপরিশোধিত তেলই খোলা সমুদ্রে বা উপকূলে অন্য ট্যাংকারে স্থানান্তর করা হয়।

কেপলার জানিয়েছে, ইরানকে ছাড়া অপরিশোধিত তেল রপ্তানিও সেপ্টেম্বর মাসে গড়ে সাড়ে ১৬ মিলিয়ন ব্যারেলে (দৈনিক) পৌঁছেছে।

অক্টোবর মাসেও তেল রপ্তানি বৃদ্ধির এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ইরাকের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ‘অয়েল ট্যাংকার কোম্পানি’ গত শনিবার ঘোষণা করেছে, তারা একটি সুবিশাল অপরিশোধিত তেল পরিবাহী ট্যাংকারে করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে দুই মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন করেছে। এটা প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালকের মতে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে তেহরানের প্রথম এই ধরনের কার্যক্রম।

কেপলারের মতে, এখন ৪০ শতাংশ তেল হরমুজ প্রণালিকে পাশ কাটিয়ে চলে যায় এবং প্রণালি অতিক্রমকারী অধিকাংশ অপরিশোধিত তেলই খোলা সমুদ্রে বা উপকূলে অন্য ট্যাংকারে স্থানান্তর করা হয়। যার একটি বড় অংশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়।

আলী ফাদাভি, আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার মার্কিন তত্ত্বাবধানাধীন পথটি দিয়ে দিনে মাত্র তিন থেকে চার মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবাহিত হচ্ছে। যা যুদ্ধের আগের তুলনায় অতি ‘নগণ্য’।

রপ্তানির এই পরিসংখ্যানে লোহিত সাগর দিয়ে নেওয়া সরবরাহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তা ছাড়া কেপলারের এই পরিসংখ্যানে এমন কোনো নৌযানকে হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি, যেগুলো শনাক্তকরণ এড়াতে তাদের স্বয়ংক্রিয় আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেমের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে গুরুত্বপূর্ণ এই চলাচলের পথটি পার হয়ে থাকতে পারে।
যদিও ইরান এই দাবি বা ইঙ্গিত অস্বীকার করেছে যে তারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে।

ইরান যুদ্ধে চার মাসেই অন্তত ৫২টি যুদ্ধবিমান–ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার আলী ফাদাভি গত রোববার বলেছেন, মার্কিন তত্ত্বাবধানাধীন পথটি দিয়ে দিনে মাত্র তিন থেকে চার মিলিয়ন ব্যারেল তেল পরিবাহিত হচ্ছে। যা যুদ্ধের আগের তুলনায় অতি ‘নগণ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন।

সাত মাস আগে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আগে, হরমুজ দিয়ে দৈনিক সচরাচর ট্যাংকার, গ্যাস বাহক, বাল্ক ক্যারিয়ার এবং কনটেইনার জাহাজসহ প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জলযান চলাচল করত।

তেলের বর্তমান দাম কেমন

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানি আবার শুরু হওয়ায় তেলের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোও তাদের জরুরি রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে।

তবে অপরিশোধিত তেলের দাম যুদ্ধ আগের মাত্রার চেয়ে এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের লেনদেন হয়েছে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০১.৫৯ ডলারে (যা ০.৭১ শতাংশ কম), অন্যদিকে ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ১.২ শতাংশ কমে প্রায় ৯০.০৫ ডলারে নেমেছে।

তবে ‘পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন ওয়েলথ ক্লাবের প্রধান বিনিয়োগ কৌশলবিদ সুসানাহ স্ট্রিটার। তিনি বলেন, অঞ্চলটি থেকে তেল রপ্তানি পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদে অনেক কিছুই নির্ভর করবে জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তার ওপর। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি একটি বড় সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়েই রয়েছে যেখানে গত রোববারেও একটি ট্যাংকারে হামলা হয়েছে। যা সরবরাহব্যবস্থা নতুন করে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

সম্ভাব্য মার্কিন হামলার জবাবে ব্যাপক ও শক্তিশালী পাল্টা–আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার হরমুজ অতিক্রমের পথে একটি তেল ট্যাংকারকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় আইআরজিসি। তা না হলে তাদের ওপর হামলা চালানোর ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

কেপলার বিশ্লেষকের দাবির গুরুত্ব বা বাস্তবতা কতটা

লিভারপুল জন মুরস বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিটাইম সেন্টারের প্রধান আবদুল খালিক বলেন, ট্রানজিট ফি বা যাতায়াত মাশুলসংক্রান্ত ব্যবস্থার ব্যাপারে কেপলার বিশ্লেষক ব্রোহার্ডের যে ধারণা, তা ‘গ্রহণযোগ্য বা সম্ভাব্য’ কারণে হতে পারে। তবে এটাকে ‘আনুষ্ঠানিক সামুদ্রিক শুল্কের চেয়ে একটি অনানুষ্ঠানিক নিরাপত্তাব্যবস্থা’ হিসেবে বর্ণনা করাই সবচেয়ে শ্রেয়।

ক্রিস বিউচ্যাম্প, আইজি গ্রুপের প্রধান বাজার বিশ্লেষক যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ পাহারা দেওয়া থেকে শুরু করে ইরানের গোপনে টোল আদায় করা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সবকিছুই গোপনে বা লোকচক্ষুর অন্তরালে ঘটছে বলে মনে হচ্ছে।

আবদুল খালিক আল–জাজিরাকে বলেন, ইরানের কোনো সুসংবদ্ধ বা রাষ্ট্র পরিচালিত টোলব্যবস্থার সপক্ষে কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন আন্তর্জাতিক প্রণালিগুলোর মধ্য দিয়ে চলাচল ও ট্রানজিটকে সুরক্ষিত করে। যা আনুষ্ঠানিক টোল আদায়কে আইনি দিক থেকে সন্দেহজনক করে তোলে।

আইজি গ্রুপের প্রধান বাজার বিশ্লেষক ক্রিস বিউচ্যাম্প আল–জাজিরাকে বলেছেন, ব্রোহার্ডের ধারণা করা দৃশ্যপটটি ‘আংশিকভাবে’ সম্ভব হতে পারে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ পাহারা দেওয়া থেকে শুরু করে ইরানের গোপনে টোল আদায় করা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সবকিছুই গোপনে বা লোকচক্ষুর অন্তরালে ঘটছে বলে মনে হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর মাসে মার্কিন সরকার ‘বিটব্যাংক’ নামে একটি ডিজিটাল অ্যাসেট ফার্ম বা ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, এটি ইরানের ‘হরমুজ সেফ মেরিটাইম সার্ভিসেস অথরিটি’ ব্যবহার করছিল তেহরানে অর্থ নেওয়ার কাজে। ইরান এই অথরিটি হরমুজ দিয়ে নৌযানের নিরাপদ চলাচলের জন্য মাশুল আদায়ের উদ্দেশ্যে করেছিল।

তবে বিউচ্যাম্প বলেন, তেল রপ্তানির জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ‘নৌপরিবহনের সমস্যা’। তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের শাটল–ব্যবস্থাটি তেল বাইরে বের করে আনার ক্ষেত্রে অসাধারণ কাজ করছে, তবে এটির জন্য প্রচুর জাহাজের প্রয়োজন হয়, যা আঞ্চলিক সীমানার বাইরে তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ভাড়ার হারও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিউচ্যাম্পের মতে, এশীয় ক্রেতাদেরও এখন অনেক দূরের উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল খুঁজে নিতে হচ্ছে, যা পরিবহনের সময়কে আরও দীর্ঘায়িত করছে।

যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র, কারণ কী

Read full story at source