মেঘনায় ট্রলারডুবি, নিখোঁজ ৪ জনের সন্ধান মেলেনি

· Prothom Alo

মেঘনা নদীতে নিখোঁজ চারজনের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। আজ শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী এলাকায় মেঘনা নদীতে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ঝোড়ো বাতাসে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের চারজনের সন্ধান আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ডুবে যাওয়া লোহার ট্রলারটিরও কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), কোস্টগার্ড ও নৌ পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বৈদ্যেরবাজারের সোনাময়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুমিল্লার হোমনা থেকে ১৩ জন যাত্রী নিয়ে সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে ঝোড়ো বাতাসে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় রায়েসা বেগম (৪০) নামের এক নারী মারা যান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের কাইল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা। ট্রলারে থাকা অন্যদের উদ্ধার করা হলেও হেলাল উদ্দিন (৫৫), সজীব (২৪), সামিয়া (১৭) ও সামিন (৫) নিখোঁজ। তাঁরা একই পরিবারের সদস্য।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

উদ্ধারকাজে থাকা ব্যক্তিরা বলেন, মেঘনা নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ও বাতাসের কারণে তল্লাশি চালাতে বেগ পেতে হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থলের নদীও বেশ প্রশস্ত। কোথাও কোথাও নদীর গভীরতা অনেক বেশি হওয়ায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে। নদীর তীরে নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনসহ অনেক মানুষ অপেক্ষা করছেন।

বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে মেঘনায় ঝড়ে ট্রলার ডুবে নারী নিহত, নিখোঁজ ৪

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক ওসমান গণি প্রথম আলোকে বলেন, বিশাল নদীর মাঝখানে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। নদীর কোনো কোনো স্থানে গভীরতা ৯০ থেকে ১০০ ফুট। সেখানে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় নিখোঁজ ব্যক্তিরা স্রোতের টানে কোথায় চলে গেছেন, তা শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এ কারণে ডুবুরি দলকেও কাজ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পাশাপাশি ট্রলারটির সন্ধানেও তল্লাশি চলছে। এ জন্য নদীতে লেজার ক্যামেরা ব্যবহার করে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

Read full story at source