স্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবার শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন, পথে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু
· Prothom Alo

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা জেটিঘাট থেকে নৌকায় ওঠার সময় কুতুবদিয়া চ্যানেলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এক যুবকের লাশ প্রায় সাড়ে ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মগনামা জেটিঘাট এলাকা থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।
ওই যুবকের নাম মো. শামীম (৩০)। তিনি ভোলা জেলার বাসিন্দা মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের মগলাল পাড়া এলাকায়। সেখানে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
Visit grenadier.co.za for more information.
শামীম যে নৌযানটিতে উঠছিলেন এর চালক আবু ছালেক বলেন, স্ত্রীর হাত ধরে নৌযানে উঠছিলেন শামীম। এ সময় তিনি পা পিছলে কুতুবদিয়া চ্যানেলে পড়ে যান এবং স্রোতের তোড়ে তলিয়ে যান তিনি।
শামীমকে উদ্ধারে গতকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল তল্লাশি অভিযান চালায়। রাত ১০টা পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে আজ সকালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পেকুয়া স্টেশনের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ডুবুরি দল কুতুবদিয়া চ্যানেলে নামার আধা ঘণ্টার মধ্যেই শামীমের লাশ উদ্ধার করে। শামীম যে স্থানে পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেখানেই তাঁর লাশ পাওয়া যায়।
শামীমের শ্বশুর শাহ আলম বলেন, তাঁর মেয়ে করিমা বেগম চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। প্রায় এক বছর আগে ভোলার বাসিন্দা শামীমের সঙ্গে তাঁর মেয়ের বিয়ে হয়। গতকাল শামীমকে সঙ্গে নিয়ে প্রথমবারের মতো বাবার বাড়িতে আসছিলেন করিমা। এর মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মগনামা ঘাট পার হওয়ার সময় কুতুবদিয়া চ্যানেলে পড়ে নিখোঁজ হওয়া শামীমের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।