ছবিতে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর

· Prothom Alo

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির দিনে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের। রক্তাক্ত এই অভ্যুত্থান ঘিরে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার গল্প সংরক্ষণে যাত্রা শুরু করেছে একসময়ের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এই গণভবন। এটি কেবল আন্দোলনের নানা আলোকচিত্র, দলিল, ব্যক্তিগত স্মারক ও ঘটনাপ্রবাহের সাক্ষ্য একত্র করে অতীতকে ধারণই করবে না, বরং নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরবে ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। ইতিহাসচর্চা, গবেষণা ও নাগরিক সচেতনতার ক্ষেত্রেও এই জাদুঘর হয়ে উঠতে পারে এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে। সাজিদ হোসেনের ক্যামেরায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কিছু ছবি:

Visit sportbet.reviews for more information.

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।অভ্যুত্থানের সময় জনতার হাতে হওয়া ধ্বংসাবশেষ দেখছেন এক দর্শনার্থী। ডিজিটাল ডিসপ্লে গ্লোবে ভেসে উঠছে বিভিন্ন লেখা।গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যবহৃত চেয়ার। শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম–খুন হওয়া ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রতিবাদী কর্মসূচির সময় তোলা তাঁদের পরিবারে ছবিও স্থান পেয়েছে জাদুঘরে।শেখ হাসিনার ব্যবহৃত লাল ফোন নিয়ে বিভিন্ন বার্তা শুনছেন দর্শনার্থীরা। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র ও ব্যবহৃত ব্যক্তিগত সামগ্রী প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে। শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণার সময় তোলা ছবি। গণভবনে শেখ হাসিনার ব্যবহৃত খাট।জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহীদ ছাত্র–জনতার ব্যবহৃত ছবি ও সামগ্রী সাজিয়ে রাখা হয়েছে।গণ-অভ্যুত্থানের সময় তোলা ছবি ও ভিডিও দিয়ে তৈরি থ্রিডি অ্যানিমেশন দেখছেন দর্শনার্থীরা।জাদুঘরের দেয়ালে দেয়ালে গণ–অভ্যুত্থানের সময়কার স্লোগান।আয়নাঘরে (বন্দিশালা) নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরতে তৈরি করা হয়েছে ভাস্কর্য।গণ-অভ্যুত্থান শহীদ ছাত্র–জনতার প্রতীকী কবর তৈরি করা হয়েছে জাদুঘরের বাইরের অংশে।

Read full story at source