ছাত্র বিক্ষোভ থেকে হামলার ঘটনায় কলকাতায় সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

· Prothom Alo

ভারতে প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সম্প্রতি বিক্ষোভের সময় পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কলকাতায় মিছিল করেছেন সাংবাদিকেরা। মিছিলে কলকাতা প্রেসক্লাব ও ইন্দো-বাংলা প্রেসক্লাবসহ রাজ্যের ৪৬টি প্রেসক্লাবের সদস্যরা অংশ নেন।

বেলা দুইটার দিকে কলকাতা প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। এতে পা মেলান অনেক সাংবাদিক। যোগ দেন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা।

Visit betsport.cv for more information.

সাংবাদিকেরা মিছিল নিয়ে ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিংয়ে অবস্থান নিয়ে সাংবাদিক নিগ্রহ বন্ধ ও তাঁদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা কলকাতাসহ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিজেপির তিরঙ্গা মিছিল

এদিকে দেশের শান্তি রক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব নিয়ে দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার দাবি নিয়ে সোমবার কলকাতায় বিজেপি তিরঙ্গা মিছিল করেছে। মিছিলে কোনো প্লাকার্ড বা ব্যানার ছিল না। মিছিলকারীদের হাতে ছিল ভারতের তিরঙ্গা পতাকা।

দুটি তিরঙ্গা মিছিলের একটি বের হয় শিয়ালদহ থেকে। শেষ হয় ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিংয়ে। দ্বিতীয় মিছিলটি বের হয় দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক থেকে। শেষ হয় ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিংয়ে। এতে বিজেপির বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী অংশ নেন।

মিছিল থেকে দাবি তোলা হয়, এখন যারা দেশবিরোধী কাজে লিপ্ত তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের মুখোমুখি করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রীর অপসারণ আন্দোলন ঘিরে দেশবিরোধীরা যেভাবে মেতে উঠেছে, তাদের ক্ষমা করা হবে না। দেশ বিরোধী ও ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তি দিতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বাম ছাত্রসংগঠন এবং ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গত শুক্রবার কলকাতায়ও বিক্ষোভ করে। একপর্যায়ে ধর্মতলায় ডরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় কয়েকজন সাংবাদিকও আক্রান্ত হন।

ওই ঘটনায় কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানায় ছয়টি এবং এন্টালি থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় বিতর্কিত গুন্ডা দমন আইনের ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এসব মামলায় ইতিমধ্যে কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Read full story at source