কমল হাসানের ভয়েই কি অমিতাভ ‘খবরদার’ সিনেমা বন্ধ করে দেন

· Prothom Alo

মুক্তি না পেলেও ১৯৮৪ সালের সিনেমা ‘খবরদার’ নানা কারণেই আলোচিত। এই সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন ও দক্ষিণি তারকা কমল হাসান। শুটিং শুরু হলেও সিনেমাটির শুটিং মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। তবে কেন বন্ধ হয়েছিল, তা নিয়ে দুই ধরনের বর্ণনা রয়েছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

কী ছিল ছবির গল্প?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘খবরদার’ ছিল সামাজিক ড্রামাধর্মী সিনেমা। এতে অমিতাভ ছিলেন একজন ডাক্তার, আর কমল ছিলেন একজন রোগী। ছবির অনেক অংশের শুটিংও সম্পন্ন হয়েছিল।

১৯৯৭ সালে এক সাক্ষাৎকারে কমল জানান, তিনি ছবিটির জন্য ২০-২৫ দিন শুটিং করেছিলেন। পরে নির্মাতারা মনে করেন ছবিটি প্রত্যাশামতো হচ্ছে না, তাই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক বছর পর ছবিটি আবার শুরু করার প্রস্তাব এলেও তিনি রাজি হননি। কারণ, তখন তিনি নিজেকে ও নিজের অভিনয়ধারাকে অনেক বদলে ফেলেছিলেন।

কে ভাগ্যরাজের বিতর্কিত দাবি
পরিচালক-অভিনেতা কে ভাগ্যরাজ অবশ্য ভিন্ন একটি ব্যাখ্যা দেন। তাঁর দাবি, চিত্রনাট্য অনুযায়ী কমলের চরিত্রের মৃত্যু হলে পুরো ছবির আবেগ ও দর্শক প্রতিক্রিয়ার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতেন কমল। ফলে অমিতাভের চরিত্র তুলনামূলকভাবে গুরুত্ব হারাত।

বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন

ভাগ্যরাজের ভাষ্য অনুযায়ী, অমিতাভ নাকি আশঙ্কা করেছিলেন যে এতে তাঁর দীর্ঘদিনের তারকাখ্যাতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই তিনি ছবিটি এগিয়ে নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন এবং প্রযোজককে অন্য কোনো প্রকল্প করার পরামর্শ দেন।

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের কাছে কী কী চাইলেন কমল হাসান

দাবিটির সত্যতা কতটা?
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই অভিযোগের পক্ষে অমিতাভ বচ্চনের কোনো প্রত্যক্ষ বক্তব্য নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে ভাগ্যরাজের দাবি। অন্যদিকে কমল হাসানও কখনো প্রকাশ্যে বলেননি যে অমিতাভ তাঁকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভয়ে ছবিটি বন্ধ করেছিলেন। তিনি শুধু এটুকুই বলেছেন, নির্মাতারা ছবি নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না।
সত্যই আসলে কী ঘটেছিল, সেটি এখনো রহস্যই রয়ে গেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

Read full story at source