সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা ও পুশ ইন বন্ধের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়: বিজিবি

· Prothom Alo

সদ্য সমাপ্ত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন বন্ধে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো নমনীয়তা দেখানো হয়নি এবং ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকটি কোনো গোপন বৈঠক ছিল না।

সোমবার বিজিবি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কিছু ব্যক্তি ও মাধ্যম বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে অসম্পূর্ণ ধারণার বহিঃপ্রকাশ।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

বিজিবির মহাপরিচালকের সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সাক্ষাৎকে ‘গোপন বৈঠক’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিজিবি জানায়, সীমান্ত সম্মেলনে আয়োজক দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টার সঙ্গে বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ একটি প্রতিষ্ঠিত রীতি।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত এর আগের বারের সম্মেলনেও বিএসএফের মহাপরিচালক বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে একইভাবে সাক্ষাৎ করেছিলেন। এই সাক্ষাৎ ভারত গমনের আগেই নির্ধারিত ও অনুমোদিত ছিল এবং সেখানে সীমান্ত হত্যা ও পুশ ইন বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

৫৭তম বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে ৩১টি ও ভারতের পক্ষে ২১টি এজেন্ডা উপস্থাপন করা হয়। বিজিবি বলছে, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা এবং পুশ ইন বন্ধের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিজিবি ও বিএসএফ মহাপরিচালকের স্বাক্ষরিত আনুষ্ঠানিক দলিল ‘জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশনসে (জেআরডি)’ বাংলাদেশের এ দৃঢ় অবস্থান যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ হয়েছে। মাদক চোরাচালান ও পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা নিয়েও বাংলাদেশ তার উদ্বেগের কথা নথিবদ্ধ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে বিজিবি যখন সীমান্ত রক্ষা, মাদক ও মানব পাচার প্রতিহত করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে জনমনে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে, তখন বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বকে ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে হেয় করার চেষ্টা চলছে। বিজিবি একে বাহিনীর মনোবল ভাঙার অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে।

Read full story at source