খেলোয়াড় দিয়েই তো ফ্রান্স আগেই চ্যাম্পিয়ন

· Prothom Alo

ফ্রান্স তো আগেই চ্যাম্পিয়ন এবং সেটা মাঠের খেলাতেই!

Visit sport-tr.bet for more information.

বিশ্বকাপ এখনো শুরু হয়নি। আগামীকাল এর উদ্বোধনী ঘণ্টা বাজবে। ১৯ জুলাই ফাইনালে ট্রফি উঠবে বিজয়ী দলের হাতে। তাহলে ফ্রান্স কীভাবে এখনই চ্যাম্পিয়ন? উত্তর হলো, এবার বিশ্বকাপে ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়ের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ৯৯ জন।

এবার ১২৪৮ জন ফুটবলার রয়েছেন বিশ্বকাপের ৪৮ দলে। তার মধ্যে নির্দিষ্ট একটি দেশে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড়ের সংখ্যাই প্রায় ১০০ হলে, সেই দেশ তো এই তালিকায় চ্যাম্পিয়নই!

ফ্রান্সের একাডেমিগুলোর খেলোয়াড় তৈরি এবং প্রতিভা খোঁজার অসাধারণ কৌশলে লুকিয়ে এর নেপথ্য গল্প। সেখানে এত বেশি খেলোয়াড় তৈরি হয় যে সেটা ভৌগোলিক সীমানাও ছাপিয়ে গেছে।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘এল গ্রাফিকো’ যেমন জানিয়েছে, এই ৯৯ খেলোয়াড়ের মধ্যে ৭৬ জন খেলেন অন্য দেশের জার্সিতে। অন্য অর্থে, ৭৬.৯ শতাংশ খেলোয়াড় বিশ্বকাপে খেলবেন ফ্রান্সের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর হয়ে। মজার বিষয়, ওদিকে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশমের গড়া ২৬ জনের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া খেলোয়াড় ২৩ জন।

ফ্রান্সের খেলোয়াড় তৈরির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী আফ্রিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চল। ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া ১৩ খেলোয়াড় নিয়ে এ তালিকায় সবার ওপরে আলজেরিয়া। ১২ জন খেলোয়াড় নিয়ে দুইয়ে হাইতি, তিনে ডিআর কঙ্গো (১১) ও চারে সেনেগাল (১০)।

এল গ্রাফিকো জানিয়েছে, অন্য বড় দলগুলোর চেয়ে ফ্রান্সের খেলোয়াড় রপ্তানির হার বেশি। নেদারল্যান্ডস, জার্মানি কিংবা ইংল্যান্ডের ফুটবলপাগল দেশগুলোকেও অনেক পেছনে ফেলেছে ফ্রান্স।

বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখতে কতটা প্রস্তুত আর্জেন্টিনা

মোট ১২৪৮ খেলোয়াড়ের মধ্যে ৯৫৯ জন খেলবেন নিজ দেশের হয়ে। জন্মভূমির বাইরে অন্য দেশের হয়ে খেলবেন ২৮৯ জন। খেলোয়াড় তৈরি ও রপ্তানিতে ফরাসিদের পরেই নেদারল্যান্ডস। টুর্নামেন্টে তাদের মোট খেলোয়াড়ের সংখ্যা ৬৭। শীর্ষ দশে থাকা বাকি দেশগুলো হলো জার্মানি (৫০), ইংল্যান্ড (৪৮), সুইডেন (৩৬), বেলজিয়াম (৩৬), স্পেন (৩৫), অস্ট্রিয়া (৩২), আর্জেন্টিনা (৩০) এবং সুইজারল্যান্ড (৩০)।

ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্র তালিকায় যৌথভাবে ১১তম। ২৯ জন করে খেলোয়াড় আছে তাদের। কুরাসাওয়ে জন্ম নেওয়া মাত্র একজন খেলোয়াড় আছেন বিশ্বকাপে।

ব্রাজিল ফুটবল দল

এমন কিছু দেশ আছে যারা বিশ্বকাপে খেলোয়াড় সরবরাহ করলেও তাদের নিজেদের জাতীয় দল এই টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিতে পারেনি। এই দলগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে ডেনমার্ক, ইতালি ও সুদান। অন্য দেশের পতাকাতলে এই তিন দেশের তিনজন করে ফুটবলার এবার বিশ্বকাপে খেলবেন।

ক্যামেরুন ও সার্বিয়ার আছেন দুজন করে খেলোয়াড়। জাতীয় দল জায়গা করে নিতে না পারলেও বিশ্বকাপে একজন করে খেলোয়াড় জোগান দেওয়া দেশগুলোর তালিকা বেশ দীর্ঘ—বুরকিনা ফাসো, স্লোভেনিয়া, ওয়েলস, গাম্বিয়া, গিনি, আয়ারল্যান্ড, আইল অব ম্যান, কাজাখস্তান, কেনিয়া, নাইজেরিয়া, সোমালিয়া এবং তানজানিয়া।

বিশ্বকাপে কোন ক্লাবের গোল সবচেয়ে বেশি

Read full story at source