বাড়ির বাইরে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে পুলিশের ওপর নজরদারি, ভেতরে বসত মাদকের আসর
· Prothom Alo

একচালা টিনের ঘর। বাইরে তিনটি সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে চলত নজরদারি। তবে তা বাইরের অপরাধ ঠেকাতে নয়; বরং পুলিশের গতিবিধি নজরে রাখতে। বাড়ির ভেতরে চলত মাদক বিক্রি ও সেবনের আসর। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন অভিনব উপায়ে মাদকের কারবার চালাচ্ছিলেন এক দম্পতি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের অভিযানে ধরা পড়েছেন স্ত্রী। তবে কৌশলে পালিয়ে গেছেন স্বামী।
Visit newsbetting.club for more information.
ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের। গোপনে শহরের মধ্যপাড়ার শান্তিবাগ এলাকার জুবলী রোডের মাদক কারবারি মো. জিয়ামিন (৪২) ও তাঁর স্ত্রী শিপা বেগম (৩৯) নিজেদের বাড়িতে এই মাদকের কারবার চালাতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বড়ি, নগদ টাকাসহ শিপা বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও রেকর্ডার ও দুটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান জিয়ামিন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টার দিকে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জিয়ামিনের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে টিনের বসতঘর থেকে ২০টি ইয়াবা বড়ি, মাদকদ্রব্য বিক্রির নগদ ২১ হাজার ৫২০ টাকা, একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও রেকর্ডার ও দুটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিপা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই তাঁর স্বামী জিয়ামিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। মাদক ব্যবসায়ী এই দম্পতির বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার শিপা বেগমসদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রশাসনকে নজরদারিতে রাখার জন্য বাড়ির বাইরে তিনটি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। বাইরে পুলিশের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হতো। ভেতরে চলত পুরোদমে মাদক ব্যবসা। অভিনব পদ্ধতিতে এই দম্পতি এসব করে আসছিলেন। পলাতক জিয়ামিনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা আছে।