প্রথমবারের মতো সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৩ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

· Prothom Alo

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ প্রদান করা হয়েছে। একাডেমিক ফলাফল, গবেষণা ও প্রকাশনায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষদের ১০ শিক্ষার্থী ও ৩ শিক্ষক এ সম্মাননা পান।

Visit freshyourfeel.org for more information.

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, সনদ ও চেক তুলে দেওয়া হয়।

এবার চারটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অনুষদভুক্ত ১০টি বিভাগের সর্বোচ্চ সিজিপিএ অর্জনকারীরা ‘সেরা শিক্ষার্থী’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হন।

পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বর্ষা রানী মণ্ডল, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রিফাহ রাফিয়া বারী, অর্থনীতি বিভাগের নাফিসা ইয়াসমিন, সমাজকর্ম বিভাগের অন্তরা, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সানজিদা ফারজানা, ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের রাজিয়া সুলতানা, লোকপ্রশাসন বিভাগের মমতাজ ফারজানা, নৃবিজ্ঞান বিভাগের জান্নাতুল মাওয়া, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের তৃষা দাস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আশরাফুল খান।

শিক্ষকদের মধ্যে ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আরমান হোসেন ‘সেরা প্রবন্ধ’, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক আওয়াল হোসেন মোল্যা ‘সেরা গ্রন্থ’ এবং ড. প্রণব কুমার পান্ডে ‘সেরা গবেষক’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিনদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পথচলায় অনুপ্রেরণা জোগাবে। অর্জিত জ্ঞান সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জ্ঞান বিতরণে কখনো কৃপণতা করা উচিত নয়।

উপাচার্য আরও বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ এবং ২০২৫ সাল থেকে এ সম্মাননা চালু হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এই আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অনুষদের ডিন ও সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, ১৯৮৫ সালে এই অনুষদ যাত্রা শুরু করলেও দীর্ঘ চার দশক পর প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার চালু করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৪ সালে উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি; বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগে তা বাস্তব রূপ পেয়েছে।

Read full story at source