এক্সের বিরুদ্ধে তদন্তে ইলন মাস্ককে ফ্রান্সে তলব

· Prothom Alo

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সের (সাবেক টুইটার) বিরুদ্ধে একটি তদন্তের অংশ হিসেবে প্ল্যাটফর্মটির মালিক ও ধনকুবের ইলন মাস্ককে তলব করেছে ফ্রান্স কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার তাঁকে প্যারিসে হাজির হয়ে স্বেচ্ছায় সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে তিনি সেখানে উপস্থিত হবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই তদন্তে অভিযোগ করা হয়, এক্সের অ্যালগরিদম ব্যবহার করে ফ্রান্সের রাজনীতিতে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ফরাসি কর্তৃপক্ষ গত ফেব্রুয়ারিতে মাস্কের বিরুদ্ধে সমন জারি করে।

Visit afrikasportnews.co.za for more information.

পরবর্তী সময়ে এক্সের বিরুদ্ধে এই তদন্তের পরিধি বাড়িয়ে এক্সের এআই চ্যাটবট গ্রোকের মাধ্যমে হলোকাস্ট (নাৎসি গণহত্যা) অস্বীকার এবং আপত্তিকর ডিপফেক ছড়ানোর অভিযোগও যুক্ত করা হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে গত ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে প্যারিসে এক্সের কার্যালয়ে তল্লাশি চালিয়েছিলেন প্রসিকিউটররা। সে সময় ওই অভিযানকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ ও ‘বিচার বিভাগীয় ক্ষমতার অপব্যবহার’ বলে দাবি করেছিল এক্স কর্তৃপক্ষ।

তদন্তের প্রয়োজনে ইলন মাস্কের পাশাপাশি এক্সের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) লিন্ডা ইয়াকারিনোর বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে। গত বছরের জুলাইয়ে লিন্ডা সিইও পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

ফেব্রুয়ারিতে প্যারিসের প্রসিকিউটর লর বেক্যু বলেন, ২০ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে এক্সের কর্মীদেরও সাক্ষাৎকার দেওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে।

গতকাল রোববার প্যারিসের প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে, মাস্ক বা অন্য কেউ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির না হলেও তদন্ত থেমে থাকবে না।

মাস্কের সাক্ষাৎকার কোথায় এবং কখন নেওয়া হবে, এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

ফরাসি তদন্তে এক্সের বিরুদ্ধে একাধিক সম্ভাব্য অপরাধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত উপকরণ সংরক্ষণে সহায়তা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধ অস্বীকারের অভিযোগ।

ডিপফেক বিতর্কে গ্রোক অ্যাপ সরানোর হুমকির পর কেন আবার অনুমোদন অ্যাপলের

শুধু ফ্রান্স নয়, গ্রোক নিয়ে বিশ্বজুড়েই তীব্র বিতর্ক চলছে। অভিযোগ রয়েছে, এই চ্যাটবট ব্যবহার করে নারী ও শিশুদের আপত্তিকর ও নগ্ন ছবি তৈরি করা হচ্ছে।

সেন্টার ফর কাউন্টারিং ডিজিটাল হেট (সিসিডিএইচ) নামের একটি সংস্থা গত জানুয়ারির শেষ দিকে দাবি করেছিল, মাত্র ১১ দিনে গ্রোক প্রায় ৩০ লাখ আপত্তিকর ছবি তৈরি করেছে, যার মধ্যে ২৩ হাজার ছবি শিশুদের মতো দেখতে ছিল।

এই ইস্যুতে গত জানুয়ারিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের তথ্য নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষও এক্স এবং এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে আলাদা তদন্ত শুরু করেছে।

এক্সে এবার কৃত্রিম ছবিও তৈরি করা যাবে

Read full story at source