শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় সঞ্জয় চিসিমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর
· Prothom Alo

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সঞ্জয় চিসিমের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজ আজ রোববার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বলেন, সঞ্জয় চিসিমের পক্ষে তাঁর আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দিয়েছেন।
Visit mchezo.life for more information.
গত ১৫ ডিসেম্বর সিবিয়ন দিউ ও সঞ্জয়কে আটকের কথা জানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে এ মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর কয়েক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয় দুজনকে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি এ মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন সঞ্জয়।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। এ ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর ওসমান হাদি মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন হাদি।
হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭), তাঁর বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), আসামিদের ভারতে পালাতে সহায়তায় অভিযুক্ত সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩) ও মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭)।
মো. ফয়সাল (২৫), মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)।
এরপর ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী ডিবির অভিযোগপত্রের বিষয়ে আদালতে নারাজি আবেদন দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এরপর অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ কয়েক দফা পিছিয়েছে।