শরীয়তপুরে রাতের আঁধারে মজুত করা হচ্ছিল ডিজেল, হাতেনাতে ধরল প্রশাসন
· Prothom Alo

শরীয়তপুরের নড়িয়ার ভোজেশ্বর বাজারে এক ব্যবসায়ী ডিজেল মজুত করছিলেন। এমন খবর পেয়ে নড়িয়া উপজেলা প্রশাসন সেখানে অভিযান চালায়। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই ব্যবসায়ীর ঘর থেকে সাত হাজার লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ওই ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা ডিজেল আজ উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Visit newsbetting.bond for more information.
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর বাজারে জুয়েল সরদার নামের এক ব্যবসায়ী বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করেন। ওই ব্যবসায়ী গতকাল রাতে জ্বালানি তেলবাহী একটি ট্যাংকলরিতে করে সাত হাজার লিটার ডিজেল মজুত করার জন্য ভোজেশ্বর বাজারে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে রাতেই নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকী দাস পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সেখানে অভিযান চালান।
এ সময় জুয়েল সরদার অবৈধভাবে ডিজেল আনার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও ডিজেল জব্দ করা হয়।
লাকী দাস প্রথম আলোকে জানান, পদ্মা পেট্রোলিয়ামের বরিশাল ডিপো থেকে একটি ট্যাংকলরিতে করে সাত হাজার লিটার ডিজেল ঝালকাঠিতে এক ব্যবসায়ীর কাছে পাঠানো হচ্ছিল। সেই ডিজেল ঝালকাঠি না নিয়ে নড়িয়ার ভোজেশ্বরের এক ব্যবসায়ী তাঁর প্রতিষ্ঠানে মজুত করছিলেন। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে খুচরা বাজারে ডিজেল বিক্রি করে থাকেন। কিন্তু জ্বালানি তেল বিক্রির তাঁর কোনো লাইসেন্স নেই। দেশে ডিজেলের সংকট চলছে, এমন পরিস্থিতিতে অবৈধভাবে মজুত ও অনুমোদন ছাড়া বিক্রি নিষিদ্ধ। তাই পেট্রোলিয়াম আইন অনুযায়ী ওই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর জব্দ করা ডিজেল উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে কৃষকের কাছে বিক্রি করা হবে। বিক্রি করা সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে চালানের মাধ্যমে জমা দেওয়া হবে।
জ্বালানি তেল মজুত করা হচ্ছে বাড়িতে, দোকানে ও গোয়ালঘরেব্যবসায়ী জুয়েল সরদার বলেন, ‘কৃষকের প্রয়োজনীয় সার, বীজ ও ডিজেল বিক্রি করার দোকান আমার। বিভিন্ন সময় আমি বিভিন্ন মোকাম থেকে এসব পণ্য সংগ্রহ করে কৃষকদের কাছে বিক্রি করি। যেহেতু ডিজেলের সংকট চলছিল, তাই বরিশাল ডিপো থেকে ঝালকাঠির এক ব্যবসায়ীর মাধ্যমে সাত হাজার লিটার ডিজেল সংগ্রহ করেছিলাম। এটা যে এই মুহূর্তে করা যাবে না, তা আমি বুঝতে পারিনি।’
চট্টগ্রামে কালো তেলের ডিপো ও বন্ধ ফিলিং স্টেশন থেকে ৩৩ হাজার লিটার তেল জব্দ